ঐক্যফ্রন্টের ‘অনুরোধে’ সন্দেহ আওয়ামী লীগের

0
102
ঐক্যফ্রন্টের 'অনুরোধে' সন্দেহ আওয়ামী লীগের

স্টাফ রিপোর্টার : আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের যে তফসিল ঘোষণা করতে যাচ্ছে কমিশন তা পিছিয়ে দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। কিন্তু তফসিল না পেছানোর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

আওয়ামী লীগ নেতারা মনে করছেন, ঐক্যফ্রন্ট তফসিল পেছানোর যে অনুরোধ করেছে তার পেছনে ‘কূটকৌশল থাকতে পারে’।

তবে ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচন কমিশনকে যে চিঠি দিয়েছে সেখানে বলা হয়েছে, আপনারা (ঐক্যফ্রন্ট) প্রধানমন্ত্রীর সংলাপের বিষয়টি অবগত আছেন এবং সেদিকে নজর রাখছেন। সেই প্রেক্ষাপটে আমরা মনে করি, তফসিল ঘোষণার ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেয়ার বিষয়টি চলমান রাজনৈতিক প্রক্রিয়া। এ জন্য সংলাপ না হওয়া পর্যন্ত কমিশনের অপেক্ষা করাই শ্রেয়।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কেউ যদি নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করে, সেটার সমুচিত জবাবের প্রস্তুতিও আমরা নিচ্ছি। এমন তৎপরতার ব্যাপারে আওয়ামী লীগ সতর্ক আছে।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কথা তুলে ধরে বলেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন ২৮ জানুয়ারির মধ্যে করতে হবে। সব প্রক্রিয়া শেষ করে ডিসেম্বরের শেষের দিকে নির্বাচন না হলে, এই সংসদের মেয়াদের মধ্যে ৯০ দিনের যে একটা বাধ্যবাধকতা আছে, সেটা শেষ করা যাবে না। কাজেই সংবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়েই নির্বাচন করতে হবে।

তবে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ মনে করেন, সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে তফসিল পেছানো যায় এবং তাতে কোনো সংকট হবে না।

তিনি বলেন, যে যত কথাই বলুক যে তফসিল পেছানোটা নির্বাচন কমিশনের ব্যাপার, আসলে এটা হলো রাজনৈতিক ব্যাপার। এটা রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। সবাইকে নির্বাচনে আনার জন্য যদি সরকারের আগ্রহ থাকে সে জন্য প্রয়োজনবোধে তফসিলটা পিছিয়ে দেয়া যায়।

মওদুদ আহমদ বলেন, এই সংসদের মেয়াদকালেই যদি নির্বাচন করার কথা আমরা চিন্তা করি, তাহলেও ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় আছে। সুতরাং এটা সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করছে।