আড়াইহাজারে গণধর্ষণ মামলার বাদীকে পেটাল আসামী

0
40
আড়াইহাজারে গণধর্ষণ মামলার বাদী পেটাল আসামী

আড়াইহাজার প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে এক কিশোরীকে গণধর্ষণের দায়ে দায়ের কৃত মামলার আসামীরা পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে মামলার বাদী মোল্লারচর গ্রামের রীনা বেগম (৪০) ও তার ছেলে আনোয়ার (২৫) কে। রোববার সকালে এ ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার নগরডৌকাদী গ্রামে। এর আগে আসামী পক্ষ বাদী পক্ষকে স্বপরিবারে প্রাণ নাশ করবে বলে হুমকী দিয়েছিল বলে মামলার বাদী জানান।
রীনা বেগম জানান, রোববার ভোরে তিনি খবর পান যে, তার কিশোরী কন্যার (১৪) গণধর্ষণকারীদের একজন সাইফুল (২৫) তার শ্বশুর নগরডৌকাদী গ্রামের আবুলের বাড়ীতে ওই সময় অবস্থান করছে। তিনি বিষয়টি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে মোবাইলে জানান। তদন্তকারী কর্মকর্তার নির্দেশে তিনি তার ছেলে দেলোয়ারকে সঙ্গে নিয়ে আসামী সাইফুল ইসলামরে অবস্থান নিশ্চিৎ হওয়ার জন্য নগরডৌকাদী গ্রামে যাচ্ছিলেন। পথে মামলার তালিকা ভুক্ত আসামী সাইফুল ও তার শ্বশুর আবুল ৭-৮ জন সহযোগিকে সঙ্গে নিয়ে তাদেরকে রাস্তায় পেয়ে মারপিটে আহত করেন এবং মামলা তুলে নিতে হুমকী দেন। পথচারীদের সহযোগিতায় তারা আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এসে চিকিৎসা নেন এবং থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। বিষয়টি তারা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকেও অবগত করেন।
প্রসঙ্গত, গত ১৫ অক্টোবর ( সোমবার) সন্ধ্যা ৭ টায় উপজেলার গোপালদী পৌরসভার মোল্লারচর গ্রামের পিঠা বিক্রেতা রীনা বেগমের কিশোরী কন্যাকে (১৪) একই গ্রামের আব্বাসের ছেলে ধর্ষক শেখ ফরিদ (২০), নাজিমউদ্দিনের ছেলে সাইফুল ইসলাম (২২), ইব্রাহীমের ছেলে সফিকুল (২০) ও অজ্ঞাত আরও একজন বাড়ী থেকে তুলে নিয়ে একটি পুকুর পাড়ে বলপূর্বক গণধর্ষণ করে। এ ব্যাপারে রীনা বেগম ১৬ অক্টোবর আড়াইহাজার থানায় ধর্ষণ মামলাটি দায়ের করলে তা বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ শিল্প পুলিশ-৪ তদন্ত করছে।
এ ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ শিল্প পুলিশ -৪ এর ইনচার্জ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা খন্দকার শফিকুল ইসলাম বলেন, বাদীকে হুমকীর এবং মারপিটের বিষয়টি তাকে জানানো হয়েছে। তিনি আসামী গ্রেফতারের জন্য জোর চেষ্টা করছেন।
বিষয়টি সম্পর্কে নারায়ণগঞ্জ সহকারী পুলিশ সুপার ( গ অঞ্চল ) মোঃ আনিসউদ্দীন জানান, আসামী গ্রেফতারের ব্যাপারে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে জোর তাগিদ দেয়া হয়েছে।