রূপগঞ্জে বড় ভাই খুন!

0
12
রূপগঞ্জে বড় ভাই খুন!

স্টাফ রিপোর্টার : নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ছোট ভাইয়ের ইটের আঘাতে বড় ভাই রানা খুন হয়েছে। এ ঘটনা ধামাচাপা দিতে তড়িগড়ি লাশ দাফন করে ফেলেছে স্বজনরা। ক্ষমতাসীন দলের স্থাণীয় এক নেতার সুপারিশে পুলিশও নেয়নি কোন আইনী পদক্ষেপ। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার ভোলাবো ইউনিয়নের গাবতলা গ্রামে এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানায়, ভোলাবো ইউনিয়নের গাবতলা গ্রামের মোজাম্মেল হকের বড় ছেলে রানা মিয়া (১৮) পাশ্ববর্তী ডাঙ্গা বাজারে ভগ্নিপতি হুমায়নের চাউলের দোকানে কাজ করেন। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সে দোকান থেকে বাড়ি ফিরলে তার বাবা-মা রানার কাছে নালিশ করেন তার ছোট ভাই সাজন দিনভর দুষ্টমী করে বেড়ায়। রানা ছোট ভাই সাজনকে শাসন করতে গেলে মেজো ভাই রাজন ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। একপর্যায়ে রাজন ইট এনে বড় ভাই রানার মাথায় আঘাত করে।
এতে তাৎক্ষনিক জ্ঞান হারালে লোকজন রানাকে রাজধানীর আশিয়ান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় ক্ষমতাসীন দলের স্থাণীয় এক নেতার নির্দেশে গতকাল শুক্রবার খুব ভোরে অতি গোপনে জানাযা শেষে রানার লাশ দাফন করে ফেলে স্বজনরা।
সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হত্যাকান্ডের ঘটনার সংবাদ পেয়ে স্থাণীয় গণমাধ্যেমকর্মীরা ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে নিহতের স্বজনরা তাদের সাথে অসহযোগীতা ও অসদাচরন করেন। পরে পুুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের ভগ্নিপতি হুমায়নকে ভোলাবো ফাঁড়িতে নিয়ে এলেও কিছুক্ষন পর অজ্ঞাত কারনে ছেড়ে দেন তাকে। এ ঘটনায় কোন ধরনের পুলিশী পদক্ষেপও নেয়নি তারা।
রূপগঞ্জ থানার ওসি মাহমুদুল হাসান বলেন, হত্যাকান্ডের খবর পেয়ে আমিসহ সহকারী পুলিশ সুপার ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলেছি। ছোটভাই রাজন বড় ভাইকে ধাওয়া করেছে এ ব্যাপারটার সত্যতা আছে, তবে পরিবারের দাবি রাতে ডাব পাড়তে গাছে উঠলে সেখান থেকে নলকুপের পাড়ে পরে গিয়ে রানার মৃত্যু হয়। এ কারণে পুলিশ আর কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।