কাশিপুরে সন্ত্রাসীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মুদি দোকানদার আহত, গ্রেফতার ৩

0
32
কাশিপুরে সন্ত্রাসীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মুদি দোকানদার আহত, গ্রেফতার ৩

স্টাফ রিপোর্টার :  নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার কাশিপুর ইউনিয়নের পশ্চিম দেওভোগ প্রধানবাড়ি সংলগ্ন এলাকায় স্থানীয় এলাকার মুদি দোকানি দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে তারেক (৩৫) ও খালিদ (২৫) নামের আপন দুই ভাইকে স্থানীর এলাকার ২০/২৫ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মারাতœক জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে! এ ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ বাবু, ডিপজল ও আল আমিন নামের তিন সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে।

শনিবার (১৭নভেম্বর) নিবাগত রাত সাড়ে ১১টায় ফতুল্লার কাশিপুর ইউনিয়নের পশ্চিম দেওভোগ প্রধান বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর পর রাতেই মারাতœক আহত অবস্থায় দুই ভাই তারেক ও খালিদকে শহরের নিউ এশিয়া ক্লিনিক নামের একটি বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।

ঘটনার স্বীকার তারেক ও খালিদ স্থানীয় এলাকার মৃত আব্দুল কাদির মিয়ার ছেলে।

ঘটনার পর ফতুল্লা মডেল থানার এস,আই আমজাদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানান, শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে কাশিপুর ইউনিয়নের পশ্চিম দেওভোগ বাংলাবাজার প্রধানবাড়ি সংলগ্ন এলাকায় ভাই ভাই ষ্টোর ও লাবিব ষ্টোর নামের তারেক ও খালিদ দুই ভাইয়ের মালিকানাধীন দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে ধারালো অস্ত্রধারী কতিপয় ২০/২৫জনের একদল সন্ত্রাসী তাদের উপর ঝাপিয়ে পরে রাম দা, চাপাতি ও ধারালো ছোড়া দিয়ে কোন কিছু বুজে উঠার পূর্বেই এলোপাথারীভাবে কোপাতে থাকে। এ সময় তাদের ডাক চিৎকাওে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে শহরের জেনারেল ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের অবস্থা আশঙ্কজনক হওয়া তাদেরকে ঢাকায় রেফার্ড করেন। পরে তারা শহরের একটি বেসরকারী ক্লিনিকে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা গ্রহন করেন। তাদের শরীরে, হাতে, পায়ে একাধিক কোপের চিহ্ন রয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় বাবু, ডিপজল ও আল আমিন নামের তিন সন্ত্রাসী গ্রেফতার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এলাকাবাসি জানায়, স্থানীয় এলাকার সন্ত্রাসী আর এলাকার মাদক ব্যবয়ায়ীরা ইদানিং খুবই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। স্থানীয় এলাকার বিশেষ করে কাশিপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড ও অন্যান্য এলাকা গুলোতে গভীর রাত পর্যন্ত এসব সন্ত্রাসীদের বিচরন করতে দেয়া যায়। তাদেরকে কথা বলার কেউ সাহস পায়না স্থানীররা। তাদের যা ইচ্ছে তাই তারা করছে। বিষয়গুলো নজরে আনার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।