ডিবি পুলিশের বিরুদ্ধে মামলার বাদী তেল ব্যবসায়ী ইকবাল গ্রেফতার

0
103
ডিবি পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা বাদী তেল ব্যবসায়ী ইকবাল গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার : ডিবি পুলিশের বিরুদ্ধে তেল লুটের অভিযোগে দায়ের করা মামলার বাদী ইকবাল চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। শুক্রবার ভোর রাতে কেরানীগঞ্জ থানার জাজিরা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ বিষয়ে ইকবাল চৌধুরীর ভাতিজা সিফাত চৌধুরী জানান গ্রেফতারের পর আজ শুক্রবার তারা ডিবি অফিসে যেয়ে চাচা ইকবাল চৌধুরীর সঙ্গে দেখা করে এসেছেন এবং কথা হয়েছে। এর বাইরে আর কিছু জানাতে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন।

এ ব্যাপারে জেলা পুলিশের মিডিয়া উইং ইন্সপেক্টর সাজ্জাদ রোমন জানান, প্রেস রিলিজের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে।

বিষয়টি জানতে ডিবি পুলিশের ওসির সরকারী নাম্বারে ০১৭১৩৩৭৩৩৫২ নাম্বারে ফোন দিলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

উল্লেখ্য চাঁদা না দেয়ায় গোডাউনের তালা ভেঙ্গে ৭২ ব্যারেল তেল নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ এনে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের দুই অফিসার ও তাদের সোর্স আনোয়ারের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।গত বুধবার (১২ মার্চ) নারায়ণগঞ্জের বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী “খ” অঞ্চল আদালতে মামলাটি দায়ের করেন তেল ব্যবসায়ী ফতুল্লার ইকবাল চৌধুরী।মামলায় ডিবি’র সোর্স আনোয়ারকে প্রধান আসামী করে ডিবি পুলিশের এস.আই আলমগীর ও এ.এস.আই জাহাঙ্গীকে আসামী করা হয়েছে।মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মামলার বাদী ইকবাল চৌধুরী ফতুল্লা বালুর ঘাট এলাকায় চৌধুরী এন্টারপ্রাইজ নামে লাইসেন্সকৃত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তেলের ব্যবসা করে আসছে। ১০ মার্চ (রোববার) বিকেল ৫টার দিকে ডিবি পুলিশের এস.আই আলমগীর ও এ.এস আই জাহাঙ্গীর একটি হাইয়েস গাড়ী নিয়ে ইকবাল চৌধুরীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আসে। এসময় তাদের সাথে সোর্স আনোয়ার ছিলো। প্রতিষ্ঠানে ইকবাল চৌধুরী না থাকায় তার ভাই রুবেল চৌধুরীর কাছে ইকবাল চৌধুরীর খোঁজ চায় তারা। একপর্যায়ে তাদের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় এস.আই আলমগীর, এ.এস.আই জাহাঙ্গীর ও সোর্স আনোয়ার ওই প্রতিষ্ঠানের গোডাউনের তালা ভেঙ্গে সেখান থেকে ৭২ বেরেল তেল বের করে ৩টি ট্রাকে উঠিয়ে নিয়ে যায়।ব্যবসায়ী ইকবাল চৌধুরীর দাবি, তিনি অনুমোদন নিয়েই তেল মজুদ করে ছিলেন এবং বৈধ ভাবে তেলের ব্যবসা পরিচালনা করছেন।অন্যদিকে, অভিযানে ৫৭ ড্রাম চোরাই জ্বালানি তেল জব্দ করা হয় বলে দাবী করছে ডিবি। উক্ত ৫৭ ড্রামের মধ্যে ৭ হাজার ৬’শ লিটার ডিজেল, ৩ হাজার ৬০ লিটার অকটেন ও ৩’শ ৬০ লিটার পেট্রোল মজুদ আছে বলে জানায় পুলিশ। চোরাই তেল উদ্ধারের ঘটনায় ডিবির এসআই আব্দুল জলিল মাতুব্বর বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় গোডাউনের মালিক ইকবাল হোসেন চৌধুরী সহ রুবেল, কামাল হোসেন, লোকমান হোসেন রাসেল, ইব্রাহিম সহ ১৫/১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।