পুলিশের একার পক্ষে যানজট নিরসন অসম্ভব: এসপি হারুন

0
31
পুলিশের একার পক্ষে যানজট নিরসন অসম্ভব: এসপি হারুন

স্টাফ রিপোর্টার : পুলিশ, আনসার ও কমিউনিটি পুলিশ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও যানজট নিরসনে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে আপনাদের সহযোগীতা চাই। পুলিশের একার পক্ষে আইন-শৃঙ্খলা ও যানজট নিরসন সম্ভব নয়। পুলিশ ও জনগন একে অপরের সহায়তায় যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলা করা সম্ভব।

রবিবার (১৯ মে) সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিভিন্ন ব্যাবসায়ীক প্রতিষ্ঠানের সাথে পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও যানজট নিরসন কল্পে একটি মতবিনিময় সভায় নারায়ণগঞ্জ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ বিপিএম, পিপিএম (বার) এমন কথা বলেন।

সভাটি আয়োজিত করা হয়, নারায়ণগঞ্জ জেলার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতি, সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি, ব্যবসায়িক মালিক সমিতি, চেম্বার অব কমার্স, বিসিক শিল্প মালিক সমিতি ও বিকেএমই সভাপতি ও সেক্রেটারিদেরসহ কালি বাজারস্থ স্বর্ণ ব্যবসায়ি মালিক সমিতির সমন্বয়ে।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বিপিএম, পিপিএম (বার)।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিসিক শিল্প মালিক সমবায় সমিতি সভাপতি মো. হাতেম, নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্টাস্ট্রিজ সভাপতি খালেদ হায়দার খান কাজল, চেম্বার অব কমার্স পরিচালক এহছানুল হক, বাংলাদেশ ট্রাক ও সিদ্ধিরগঞ্জ সিমরাইল কাভার্ড ভ্যান-পিকআপ মালিক সমিতি সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, মতিউল্লা মিন্টু সভাপতি, নারায়ণগঞ্জ জেলা ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান-পিকআপ মালিক সমিতি, নারায়ণগঞ্জ সহ বিভিন্ন বাস-মিনিবাস মালিক সমিতি, নারায়ণগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ, জনাব মোঃ ইব্রাহিম চেঙ্গিস, চেয়ারম্যান, হিমাচল পরিবহন লিঃ সহ উৎসব, বন্ধন ও বিভিন্ন পরিবহনের মালিক সমিতির সভাপতি সহ অন্যান্য নেত্ববৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশের সকল উর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগন। একটি প্রাণবন্ত মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সঞ্চলনার দায়িত্ব পালন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) জনাব মো. মনিরুল ইসলাম।

পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বিপিএম, পিপিএম (বার) সকল ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতাদের বক্তব্য এবং সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির নেতাদের বক্তব্য শ্রবণ করেন।

পুলিশ সুপার তার বক্তব্যে আরও বলেন, নারায়ণগঞ্জ একটি ব্যস্ততম বাণিজিক শহর প্রতিনিয়ত এখানে হাজার হাজার লোক বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা-যাওয়া করে। স্থানীয় দোকান মালিক মালিক সমিতির পক্ষ থেকে সিকিউরিটির ব্যবস্থা করতে হবে।

বক্তব্য পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ আরও বলেন, স্বর্ণ ব্যবসায়ী বা দোকান মালিক সমিতির লোকজন টাকা-পয়সা লেনদেনের ক্ষেত্রে পুলিশের সহায়তা পাবেন। পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ মানি স্কট করে নির্ধারিত স্থানে পৌছে দিবে। অনেক সময় বিকাশ এজেন্টের টাকা-পয়সা নিয়ে যাওয়ার সময় বা দোকানে ডুকে গুলি করে আহত করে টাকা ছিনতাই করে থাকে দূর্বৃত্তরা। এ ক্ষেত্রে পুলিশ বিকাশ এজেন্টসহ ব্যাংকের টাকা পয়সা লেনদেনের ক্ষেত্রে পুলিশের সহায়তা আপনারা নিবেন।

এসময়, হারুন অর রশীদ স্বর্ণ দোকান মালিক-সমিতি সভাপতি সহ অন্যান্য ব্যবসায়ীদের সন্ধার পর তাদের নিজস্ব সিকিউরিটি রাখার পরামর্শ দেন।

এরপর তিনি বলেন, পুলিশ নিয়মিত টহল দিবে এবং হোন্ডা মোবাইল এর ব্যবস্থা থাকবে। সর্বপরি পবিত্র মাহে রমজান এবং আসন্ন ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানের ন্যায় স্বাভাবিক রাখা ও যানজট নিরসন কল্পে সকলের সহযোগীতা আমরা কামনা করছি।

এর আগে ফতুল্লার বাজার বনিক সমিতির সভাপতি মো. হোসেন বলেন যে, যানজট নিরসনের জন্য জেলা পুলিশের পাশাপাশি আমাদের নিজস্ব ভলেন্টিয়ার নিয়োগ করবো। এছাড়াও পুলিশের রেলস্টেশন ও রেল গেটের জন্য যানযট সৃষ্টি হয়।

বিসিক শিল্প মালিক সমবায় সমিতি সভাপতি মো. হাতেম বলেন, সকল ব্যবসায়ী সংগঠনের পক্ষ থেকে পুলিশ সুপার মহোদয়কে ধন্যবাদ জানাই এবং পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও যানজট নিরসন কল্পে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশকে সার্বিক সহযোগীতা প্রদানে আমরা বদ্ধ।