বুধবার, মে ২২, ২০১৯
Home বিবিধ দ্বিতীয় লিড এমপি সেলিম ওসমান ৭ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে দিলেন ৪ কোটি টাকা অনুদান

এমপি সেলিম ওসমান ৭ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে দিলেন ৪ কোটি টাকা অনুদান

0
41
এমপি সেলিম ওসমান ৭ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে দিলেন ৪ কোটি অনুদান

নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডট নেট : এমপি সেলিম ওসমান শহর ও বন্দরের ৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের তাঁর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ৪ কোটি ১০ লাখ টাকার অনুদান প্রদান করেছেন।

শনিবার ২০এপ্রিল সকল ১০টা থেকে বিকেল ৪টায় বন্দর ও শহরের ওই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দের হাতে চেক গুলো হস্তান্তর করেছেন। এছাড়াও তাঁর ব্যক্তিগত অনুদানে মর্গ্যান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নবনির্মিত বঙ্গমাতা ফজিলেতুন্নেছা মুজিব নামে নতুন ভবনটির শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

যার মধ্যে বন্দরে নবীগঞ্জ এলাকায় সিটি কর্পোরেশনের রাস্তা তৈরি করার কারইে ক্ষতিগ্রস্ত ও বিপদজ্জনক অবস্থায় থাকা নবীগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি অন্যত্র নির্মানের লক্ষ্যে জমি কেনা বাবদ ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা, মর্গ্যাণ গালর্স স্কুল অ্যান্ড কলেজে আরো একটি নতুন ভবন নির্মাণের জন্য প্রথম ধাপে ৭৫ লাখ টাকা, শেখ জামাল উচ্চ বিদ্যালয়ে ভবনটির ৪র্থ তলা নির্মাণের জন্য প্রথম ধাপে ৭৫ লাখ টাকা, কলাগাছিয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ ও অন্যান্য উন্নয়নের জন্য দ্বিতীয় ধাপের ২৫ লাখ টাকা, নাগিনা জোহা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪র্থতলার নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার জন্য ২৫ লাখ টাকা, দেওভোগে বিদ্যা নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ের উন্নয়নে ঘোষণা অনুযায়ী দ্বিতীয় ধাপে ২৫লাখ টাকা, এবং সৈয়দপুর বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়াম নির্মাণের জন্য দ্বিতীয় ধাপে ২৫ লাখ টাকার অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

এছাড়াও ধামগড় এলাকায় অসহায় দরিদ্র তৈয়ব আলীকে আত্মনির্ভরশীল করার লক্ষ্যে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও স্কুলের ১০জন শিক্ষার্থীকে ১০টি ল্যাপটপ প্রদান করা হয়েছে। সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানের সহধর্মিনী মিসেস নাসরিন ওসমান এসব অনুদানের চেক সকলের হাতে তুলে দেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক রাব্বি মিঞা, মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, এমপি সেলিম ওসামনের সহ ধর্মিনী নাসরিন ওসমান, জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক আবুল জাহের, বন্দর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি এম এ রশিদ, বন্দর উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুল, সিটি কর্পোরেশনের ২৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আফজাল হোসেন, কলাগাছিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন প্রধান, বন্দর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন, মুছাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেন, ধামগড় ্ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাসুম আহম্মেদ, মদনপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম.এ সালাম সহ প্রতিটি এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিবৃন্দরা।

প্রসঙ্গত ২০১৪ সালের ২৬ জুন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে উপ নির্বচনে সেলিম ওসমান বিজয়ী হয়ে নারায়ণগঞ্জের দায়িত্ব গ্রহনের পর তাঁর নির্বাচনী এলাকার আওতাধীন ৭টি ইউনিয়নে সম্পূর্ন ব্যক্তিগত খরচে ৭টি আধুনিক স্কুল নির্মাণের ঘোষণা দেন।

ঘোষণা মোতাবেক তিনি আলীরটেক ইউনিয়নে কুড়েরপাড় শেখ রাসেল উচ্চ বিদ্যালয় ভবন, গোগনগর ইউনিয়নে এলাকায় বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয় ভবন, ধামগড় ইউনিয়নে শেখ জামাল উচ্চ বিদ্যালয়, মদনপুর ইউনিয়নে নাগিনা জোহা উচ্চ বিদ্যালয়, মুছাপুর ইউনিয়নে শামসুজ্জোহা উচ্চ বিদ্যালয়ে নতুন ভবন, বন্দর ইউনিয়নে নাসিম ওসমান মডেল হাইস্কুল, এবং কলাগাছিয়া ইউনিয়নে খোরশেদুনেচ্ছা উচ্চ বিদ্যালয় ভবন নামে মোট ২৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭টি স্কুল নির্মাণ করেন। প্রতিটি স্কুলেই রয়েছে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুম, সিসি টিভি ক্যামেরা, সাইন্সল্যাব, কম্পিউটার ল্যাব, লাইব্রেরী সহ শ্রেনী কক্ষে শিক্ষার্থীদের বসার জন্য আধুনিক টোল টেবিলের ব্যবস্থা।

নির্মিত স্কুলগুলোর মধ্যে নিজ উদ্যোগে শামসুজ্জোহা উচ্চ বিদ্যালয়ে সম্পূর্ন বিনা খরচ, এবং নাগিনা জোহা উচ্চ বিদ্যালয় এবং শেখ জামাল উচ্চ বিদ্যালয়ে শুধুমাত্র ভর্তি ফি নিয়ে সম্পূর্ন বিনা বেতনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দুটিতে অধ্যয়নরত সকল শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন এই জনপ্রিয় এই সাংসদ। এছাড়াও নাসিম ওসমান মডেল হাইস্কুলে অধ্যয়নরত মোট ১০০জন মেধাবী দরিদ্র শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার খরচ জোগাতে তাদের অভিভাবকদের একটি করে সেলাই মেশিন প্রদান করা হয়েছে। ইতোমধ্যে কদম রসুল ডিগ্রি কলেজকে সরকারীকরণ করা হয়েছে এবং কলেজের অভ্যন্তরে নতুন আরো একটি ৪ তলা ভবনের নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে।

অপরদিকে নারায়ণগঞ্জ কলেজের পরিচালনা কমিটিতে সভাপতি পদে দায়িত্ব গ্রহনের পর প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরে ১০তলা ফাউন্ডেশনে প্রতি তলায় ৮হাজার ৪’শ স্কয়ার ফিটের ৭তলা ভবন নির্মাণ সম্পন্ন করা হয়েছে। যার নির্মাণ ব্যয় এখন পর্যন্ত কলেজের তহবিল থেকে আনুমানিক ১০ কোটি ৫০লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। যেখানে তাঁর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক টোল টেবিলের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং ব্যবসায়ী সংগঠন নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ও বিকেএমইএ এর সহযোগীতা দুটি লিফটের ব্যবস্থা করা হবে। ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীদের দাবীর প্রেক্ষিতে নবনির্মিত ওই ভবনটি শেখ কামাল ভবন নামে নামকরনের প্রস্তাব করা হয়েছে। যে কোন সময় ভবনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে।

এছাড়াও মর্গ্যান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ৩কোটি টাকা ব্যয়ে বঙ্গমাতা আলহাজ্ব ফজিলেতুনেচ্ছা মুজিব নামে নতুন বহুতল ভবন এবং সৈয়দপুর বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়াম নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে উন্নয়নের পাশাপাশি সরকারী ভাবে গণবিদ্যা নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়, নারায়ণগঞ্জ হাইস্কুল এন্ড কলেজ, মদনপুর রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, হাজী সিরাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়, কলাগাছিয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়, নবীগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সোনাকান্দা উচ্চ বিদ্যালয়, শিকদার আব্দুল মালেক উচ্চ বিদ্যালয়, লক্ষনখোলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, মদনপুর রিয়াজুল উলুম আলিম মাদ্রাসা, মুসাপুর দারুচ্ছুনাহ ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা, নুরুল আলানুর এছহাকিয়া হোসাইনিয়া দাখিল মাদ্রাসার জন্য নতুন একাডেমী ভবন নির্মাণের দরপত্র আহবান করা হয়েছে। এছাড়াও সরকারী ভাবে মোট ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দরপত্র আহবান করা হয়েছে, ১১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দরপত্র আহবান প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, ১১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নতুন একাডেমী ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে, ৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে।

অপরদিকে জয়গোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয়, কলাগাছিয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়, কুড়িপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, মীরকুন্ডি উচ্চ বিদ্যালয়, বিএম ইউনিয়ন হাইস্কুল এন্ড কলেজে নতুন একাডেমী ভবন নির্মাণ সহ আরো ১০টি স্কুলের উর্ধমূখী সম্প্রসারনের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চাহিদা পত্র প্রেরন করা হয়েছে।

বার একাডেমী উচ্চ বিদ্যালয়, বিদ্যা নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয় সহ প্রায় প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্যক্তিগত ভাবে অর্থায়নের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান গুলোর অবকাঠামো ও শিক্ষার মান্নোয়নে কাজ করে চলেছেন। দশম জাতীয় সংসদের মেয়াদ পর্যন্ত বিগত সাড়ে ৪ বছরে তিনি প্রায় সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আমন্ত্রন গ্রহন করে অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। আমন্ত্রিত অতিথি হয়ে তিনি যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই গেছেন সেখানেই তিনি উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মঞ্চে ডেকে তাদের বক্তব্য শুনেছেন। তাদের সুবিধা, সমস্যা এবং চাহিদার কথা শুনেছেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কাছে তিনি বাংলাদেশের গৌরবময় ইতিহাস এবং বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে নানা বিষয়ে প্রশ্ন করে জানতে চান। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে তাঁর প্রশ্নে স্কুলের শিক্ষকরাও ভুল উত্তর দিয়েছেন। এতে করে দেশের গৌরবময় ইতিহাস সম্পর্কে বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের অজানার বিষয়টি তাঁর কাছে স্পষ্ট হওয়ায় তিনি স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের মাঝে, ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধুর জীবনী, জঙ্গীবাদ বিরোধী সচেতনা বৃদ্ধি সহ নানা বিষয়ের উপর রচনা, উপস্থিত বক্তৃতা, ও বির্তক প্রতিযোগীতার আয়োজন করেন এবং বিজয়ীদের মধ্যে ১ম, ২য়, ও ৩য় হওয়া প্রতিযোগীদের যথাক্রমে ১০, ৫ ও ৩ লাখ টাকা করে সম্মাননা পুরস্কার প্রদান করেন।

একের পর এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে তিনি বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা পুথিগত বিদ্যায় বন্দী হয়ে থাকার বিষয়টি উপলদ্ধী করেন। ফলে তিনি শিক্ষার্থীদের পুথিঁগত শিক্ষার শেকল ছিড়ে বের করে আনতে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীদের দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষা সফরে নিয়ে যাওয়ার আহবান জানাতে থাকেন। সেই লক্ষ্যে তিনি নিজ এবং নারায়ণগঞ্জের ব্যবসায়ীদের সহযোগীতায় ২টি বাস ক্রয় করে ২০১৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর বন্দর সমরক্ষেত্র মাঠে তৎকালীন জেলা প্রশাসক জনাব আনিসুর রহমান মিয়ার মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কর্মাস এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি জনাব খালেদ হায়দার খান কাজল এর কাছে হস্তান্তর করেন।

পাশাপাশি শিক্ষাসফরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে প্রদান করা বাস দুটির রক্ষনাবেক্ষন এবং যাতায়াত ব্যয় বহনের জন্য সংসদ সদস্য হিসেবে ২৬ মাসে সরকার থেকে তাঁর প্রাপ্ত ২৬ লাখ টাকার একটি চেক নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এর সভাপতির হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান এবং তাঁর সহধর্মিনী মিসেস নাসরিন ওসমান নারায়ণগঞ্জ কলেজ ও সরকারী মহিলা কলেজের জন্য পৃথক দুটি বাস প্রদান করেন।

এদিকে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সফরের যাওয়ার জন্য তিনি ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাস দুটি প্রদান করলেও শুরুর দেড় বছর কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকেই শিক্ষার্থীদের সফরে নিয়ে যাওয়ার জন্য নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির এর কাছে কোন আবেদন জমা পড়েনি। এতে অনেকটাই হতাশ হয়ে ছিলেন ভবিষ্যত প্রজন্ম নিয়ে চিন্তা করা এই সাংসদ। ফলে তিনি নিজেই উদ্যোগী হোন এবং ১৬ ফেব্রুয়ারী নারায়ণগঞ্জ কলেজের শিক্ষার্থীদের ঢাকায় বঙ্গবন্ধু জাদুঘরে পাঠানোর মধ্য দিয়ে শিক্ষা সফরের যাত্রা শুরু করেন। যার দরুন এগিয়ে আসে অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোও। ইতোমধ্যে একে একে বন্দরের নাগিনা জোহা উচ্চ বিদ্যালয়, শামসুজ্জোহা এমবি ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়, নাসিম ওসমান মডেল হাইস্কুল, আমলাপড়া আদর্শ শিশু সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিদ্যানিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়, চাষাঢ়া শিশু কল্যান সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাসিনা অটিজম স্কুল, ৩৩নং সিটি কলনো সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শিক্ষা সফর করেছেন। স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা পাঠ্য পুস্তকের বাইরে শিক্ষা সফরের মাধ্যমে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের মধ্য দিয়েই পুথিগত বিদ্যার গন্ডি পেরিয়ে ভবিষ্যতে এই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে পারবে বলে মনে করেন এই সাংসদ।