অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের কক্ষেপুলিশ স্বামী দ্বারা এপিপি স্ত্রী লাঞ্ছিত

0
35
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের কক্ষেপুলিশ স্বামী দ্বারা এপিপি স্ত্রী লাঞ্ছিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জ জেলা জজ আদালতের সহকারী পিপি অ্যাডভোকেট জেসমিন আহমেদ নিজ স্বামী দ্বারা পুনরায় শারীরিকভাবে লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বুধবার (১৩ মার্চ) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট যুথিকা সরকারের কক্ষে এই ঘটনাটি ঘটে।
অ্যাডভোকেট জেসমিন আহমেদ জানান, ‘বুধবার দুপুরে আমি একটি মামলার বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট যুথিকা সরকারের কার্যালয়ে যাই। আমি দরজা দিয়ে তাঁর কক্ষের ভিতরে প্রবেশ করে দেখি আমার স্বামী পুলিশ কর্মকর্তা আবু নকিব চেয়ার বসে আছে। এসময় আমার স্বামী যার বিরুদ্ধে আমি যৌতুক মামলা দায়ের করেছি সে আমাকে কক্ষের ভিতরে একা পেয়ে এলোপাথারী চড়, থাপ্পর, কিল ঘুষি মারে এবং আমার জামা-কাপড় ছিড়ে ফেলে। তখন আমি চিৎকার করলে সে দৌঁড়ে পালিয়ে যায়।’
তিনি আরো বলেন, ‘ঐ সময়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তার কক্ষে ছিলেন না। তবে তার সিএ আব্দুর রহমান তাঁর কক্ষে ছিলেন এবং তার সামনেই এ ঘটনাটি ঘটেছে। আমার স্বামী নকিব আমার দায়ের করা মামলার বিষয়ে তদ্বির করতে এখানে এসেছিলেন এবং এডিএম এর সিএ আব্দুর রহমান তাকে এখানে এনেছিলেন। আমি এই বিয়ষটি মৌখিকভাবে এডিএমকে জানিয়েছি এবং বিষয়টি ডিসিকেও জানাবো।’
জেসমিন বলেন, ‘আমি একজন আইনজীবী ও সরকারি এপিপি। আমার সাথে এমন একটা ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটলো তাও আবার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কক্ষে, যা খুবই দুঃখজনক। আমি আমার স্বামীর বিচার দাবি করছি।’
তবে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের সিএ আব্দুর রহমান এড. জেসমিনের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘তাদের কাউকেই আমি চিনি না এবং আমার কাছে তদ্বিরের জন্য কেউ আসেনি। আমি এবং এডিএম মহোদয় রুমের বাইরে ছিলাম। হঠাৎ চিৎকার শুনে রুমে এসে এ ঘটনার কথা শুনেছি। আমার সামনে মারামরির ঘটনা ঘটেনি।’
প্রসঙ্গত, নারায়ণগঞ্জ জেলা জজ কোর্টের এপিপি এড. জেসমিন আহমেদ গত ৪ মার্চ তার স্বামী পুলিশের টিআই আবু নকিবের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ৫০ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবী ও মারধরের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছিলেন।