বাচঁলো না তারিফ : একটি দূর্ঘটনা হয়ে রইলো সারা জীবনের কান্না

0
576
বাচঁলো না তারিফ : একটি দূর্ঘটনা হয়ে রইলো সারা জীবনের কান্না

মাঈসা খনম দিয়া : বাচঁলোনা তারিফ। আইসিইউতে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষনে থেকে চলে গেলেন না ফেরার দেশে। মায়ের বুকভাটা ক্রন্দন, স্ত্রীর ভালবাসা ও সন্তানের মমত্ববোধ কোন কিছুই আটকাতে পারলো না তারিফকে। খুব অল্প বয়সেই মৃত্যুর সঙ্গে আলিঙ্গন করতে হলো তাকে। পেছনে পড়ে রইলো এক বৃদ্ধ মায়ের কান্না, স্ত্রী শীলার ভালবাসা ও অবুঝ সন্তানের অনাগত ভবিষ্যত। একটি দূর্ঘটনা অবশেষে একটি পরিবারের জন্য হয়ে রইলো সারা জীবনের কান্না।
আজ সোমবার (১০ জুন) বিকাল সাড়ে ৪টায় বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল কলজের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নিভে যায় তার জীবন প্রদীপ ( ইন্না লিল্লাহি………….. রাজিউন)।

অবশেষে ডাক্তারদের সকল চেষ্টা ব্যর্থ হলে খুলে ফেলা হয় লাইফ সাপোর্ট মেশিন। তার পারিবারিক সূত্র জানিয়েছেন, রাতে হাসপাতাল থেকে তারিফের লাশ নেয়া হবে বিক্রমপুরের রক্ষিত পাড়া গ্রামের নিজ বাড়িতে। আগামীকাল মঙ্গলবার বাদ যোহর রক্ষিতপাতা কবরস্থানে তাকে চির নিদ্রায় শায়িত করা হবে।

বাচঁলো না তারিফ : একটি দূর্ঘটনা হয়ে রইলো সারা জীবনের কান্না
তারিফ, স্ত্রী শীলা ও ছেলে তাসরিফ (ফাইল ফটো)

তারিফের পরিবার থেকে কৃতজ্ঞতা জানানো হয়ছে, যারা তাকে বাঁচাতে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন। তারা বলেন, এ সকল সহৃদয় আত্মীয় স্বজন, এলাকাবাসী অপরিচিত মানুষ সবাইর কাছে চির ঋনী হয়ে রইল এক অসহায় বৃদ্ধ মা।
গত ১০ মে ট্রাকের সঙ্গে অটোরিক্সার দূর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে আহত হন তারিফ। প্রথমে সাইনবোর্ড এলাকার প্রোএকটিভ মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হাসপাতালের আইসিইউ পরবর্তিতে বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতো দীর্ঘ সময় চিকিৎসাধীন ছিলেন।
তারিফ চৌধুরী ভালবেসে বিয়ে করেছিলেন শীলা বেগমকে। ইতোমধ্যে তার একটি ছেলে সন্তান তাসরিফ চৌধুরী জন্মেছে। তার বয়স ৫ বছর।