ডা. ফয়সালের অপারেশনে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষনে ব্যবসায়ী পল্টু

0
32
ডা. ফয়সালের অপারেশনে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষনে ব্যবসায়ী পল্টু

নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জে আবারো ভুল চিকিৎসার অভিযোগ উঠেছে খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালের এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। হাসপাতালের আবাসিক সার্জন ডা. ফয়সালের ভুল অপারেশনে নগরীর দেওভোগ পাক্কা রোড নিবাসী ব্যবসায়ী আতাউর রহমান পল্টু এখন ঢাকার একটি বেসরকারী হাসপাতালের আইসিইউতে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন।
এপেন্ডিসাইটিস অপারেশন করাতে এসে রোগীর খাদ্য নালী ছিদ্র সহ পাকস্থলির একটি অংশ কেটে ফেলে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন রোগীর স্বজনরা।
অসুস্থ্য আতাউর রহমানের ছেলে আবদুল্লাহ অপূর্ব জানান, গত ২৭ জানুয়ারী তার পিতাকে নিয়ে খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক সার্জন ডা: ফয়সালের কাছে যান তারা। ডা. ফয়সাল তার বাবাকে দেখে জরুরী অপারেশন করার কথা বলেন এবং শহরের মেডিহোপ ক্লিনিকে ভর্তি করাতে বলেন। ডাক্তারের পরামর্শ মতো তারা রোগীকে মেডিহোপ ক্লিনিকে ভর্তি করান এবং সেখানে ডা. ফয়সাল তার বাবার এপেন্ডিসাইটিসের অপারেশন করেন। কিন্তু অপারেশনের পর থেকে রোগীর অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে। রোগীর পেট ফুলে যায় এবং অপারেশনের স্থানে ইনফেকশন হয়ে যায়। তখন ডাক্তাররা দ্রুত রোগীকে ঢাকা নিয়ে যেতে বলেন।
তিনি আরও জানান, মূমূর্ষ অবস্থায় সেসময় তার বাবাকে ঢাকার আজগর আলী হাসপাতালে ভর্তি করানো হলে সেখানকার ডাক্তাররা তাকে আইসিইউতে নিয়ে যান। সেখানকার চিকিৎসকরা জানিয়েছেন অপারেশনের ফলে আতাউর রহমানের খাদ্য নালী ছিদ্র হয়ে গেছে এবং লাঞ্চে পানি জমে গেছে এছাড়াও তারপাকতন্ত্রের যে অংশটি অপারেশন করে ফেলে দেয়া হয়েছে সেটির কারণে রোগীর অবস্থা খুব আশংকা জনক। ওনাকে বাঁচানোর মালিক আল্লাহ্ তবে আমরা সর্বাত্বক চেষ্টা চালাব। বর্তমানে তিনি আইসিইউতে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে নারায়ণগঞ্জ ৩শ’ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক সার্জন ডা: ফয়সাল । সার্জন ডা: ফয়সালকে মুঠোফোনে প্রশ্নকরা হলে উত্তরে বলেন, আমার অপারেশনে কোন ভুল ছিল না। আমি খানপুর ৩শ’ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক সার্জন হিসেবে গত দুই বছরে অসংখ্য অপারেশন করেছি কিন্তু কোন সমস্যা হয়নি। অপারেশনের পরে রোগীর পেটে গ্যাস জমে যাওয়ায় এমনটা হয়ে থাকতে পারে।
খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক সার্জন হয়ে বেসরকারী ক্লিনিকে অপারেশন করার কারন জানতে চাইলে ডা. ফয়সাল বলেন, রোগীর অবস্থা এমন ছিলো যে তাকে জরুরী অপারেশন করানোর প্রয়োজন ছিল। আর জরুরী অপারেশনের ব্যাবস্থা শুধু খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতাল কেন নারায়ণগঞ্জের কোন সরকারী হাসপাতালে নেই। তাই বেসরকারী ক্লিনিকে অপারেশন করা হয়েছে।