আড়াইহাজারে প্রতিবন্ধী শিশুকে বলৎকার : থানার ভিতরে বিক্ষোভ

0
27
আড়াইহাজারে প্রতিবন্ধী শিশুকে বলৎকার : থানার ভিতরে বিক্ষোভ

আড়াইহাজার প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে শারীরিক প্রতিবন্ধী (৯) এক শিশুকে বলৎকারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার বাবা রিকশাচালক। পুলিশ খবর পেয়ে শুক্রবার বিকালে ওই শিশুকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এর আগে বেলা ১১টার দিকে স্থানীয় আড়াইহাজার পৌরসভাধীন মুকুন্দী গাজীপুরা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

পরে লম্পট কিশোর আকাশ কে (১৫) আটক করেছে পুলিশ। সে ওই এলাকার নবী হোসেনের ছেলে। এদিকে হাসপাতালের জরুরী বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক তাহমিনা জানান, শিশুটির পায়ুপথে আঘাতের চিহৃ রয়েছে। তাকে নারায়ণগঞ্জের ভিক্ট্রোরিয়া হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সাংবাদিক পরিচয়ধারী কয়েকজন ব্যক্তি লম্পট আকাশের বাবা’র কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা গ্রহণ করে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা চালায়।

এতে এলাকাবাসী ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠলে তারা পালিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসী থানা চত্বরে এসে বিক্ষোভ মিছিল করে। শিশুটির বাবা জানান, ৯ বছর বয়সি তার শারীরিক প্রতিবন্ধী শিশুকে একা পেয়ে স্থানীয় এমদাদুল উলুমদাখিল মাদ্রাসার পেছনে প্রতিবেশী নবী হোসেনে ছেলে আকাশ বলদকার করে। পরে সে শারীরিকভাবে অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, স্থানীয় এক টিভি সংবাদিক ও কথিত মানবাধীকার কর্মী সুফিয়া সহ আরো ৪ থেকে ৫জন সাংবাদিক পরিচয়ধারী আকাশের বাবা’র কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে বিষয়টি জোরপূর্বক মীমাংসার চেষ্টা চালায়। পরে এলাকাবাসী ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠেন। এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক যুবক জানান, স্থানীয় সাংবাদিক পরিচয়ধারী ৪ থেকে ৫ জন ব্যক্তি ধর্ষকের বাবা’র কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে মীমাংসার চেষ্টা চালায়।

তিনি আরো বলেন, ‘সাংবাদিক পরিচয়ে যদি ধর্ষকের কাছ থেকে টাকা গ্রহণ করা হয়; তাহলে আমরা বিচার পাব কীভাবে। সত্য প্রকাশ হবে কীভাবে। এ ঘটনাটি বিষয়টি স্থানীয় এমপি নজরুল ইসলাম বাবুকে অবহিত করা হয়েছে।’ আড়াইহাজার থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, ভিকটিমকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে। তিনি আরো বলেন, ‘আমার কাছে বিশেষ পরিচয়ের কোনো স্থান নেই। যে অপরাধী তার পরিচয় আমার কাছে সেইভ অপরাধী হিসেবেই গণ্য হবে। কোনো সাংবাদিক যদি টাকা নিয়ে মীমাংসার চেষ্টা করে থাকেন। তাহলে তার বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’