ভারী বর্ষণে শহরের অধিকাংশ সড়ক যেন মিনি খাল

0
17
ভারী বর্ষণে শহরের অধিকাংশ সড়ক যেন মিনি খাল

শহর প্রতিনিধি : আষাঢ়ের শেষসময়ের টানা বৃষ্টিতে ডুবে গেছে নারায়ণগঞ্জ শহরের প্রধান সড়ক সহ সকল অলিগলি। প্লাবিত হয়েছে শহরের গুরুত্বপূর্ন বিভিন্ন স্থান। সড়ক, ফুটপাত এবং ড্রেন পানিতে ডুবে একাকার হয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন পথচারী ও গাড়ি চালকরা।
শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুর থেকেই থেমে থেমে বৃষ্টি নামছিলো শহরজুড়ে। বিকেল ৫টা থেকে নামে আষাঢ়ের মুষল বর্ষন। টানা ৭টা পর্যন্ত চলে বৃষ্টির আর ঠান্ডা বাতাসের দাপট। মাত্র আধাঘন্টাতেই ডুবে যায় বঙ্গবন্ধু সড়কের পুরো অংশ। ১ ঘণ্টা হতেই ডুবতে শুরু করে সড়কের উভয় প্রান্তের ফুটপাত। এরপরে টানা আরও ১ঘণ্টার বৃষ্টিতে পানি উঠতে থাকে অপেক্ষাকৃত নিচু মার্কেটের দোকান গুলোতে। পানি প্রবেশ করে বিভিন্ন ভবনের কার পার্কিংয়ে।

ভারী বর্ষণে শহরের অধিকাংশ সড়ক যেন মিনি খাল
আকস্মিক এ জলাবদ্ধতায় বিপাকে পরেন পথচারী ও বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রীরা। শহরে চলাচলরত সিএনজি অটোরিক্সার ইঞ্জিনে পানি ঢুকে বিকল হয়ে পড়ে মাঝসড়কে। এছাড়া সড়কের পাশে অবস্থিত বেশ কয়েকটি হাসপাতালের আসা রোগীদের দুর্ভোগ বাড়ে বহুগুণে। যাত্রীদের পারাপারের জন্য রিক্সার চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ভাড়া বাড়ে ৩ গুন।
বৃষ্টিতে প্রেসক্লাবে আটকে যাওয়া পথচারি মুনা বলেন, আমার বাসা বেশ খানিকটা দূরে। পানিতে নেমে কাপড় ভিজিয়ে যাওয়াটা প্রায় অসম্ভব। ১ ঘন্টা যাবত রিক্সার জন্য দাঁড়িয়ে আছি কিন্তু রিক্সা পাচ্ছি না। যে একটা আসে সেটিতেই হুরমুড় করে যাত্রীরা উঠে পড়ে। রাস্তায় পানি না থাকলে হেটেই যেতাম। কিন্তু রাস্তায় পানি প্রায় হাটু সমান।
বঙ্গবন্ধু সড়কে পানি দেখে অপর এক পথচারী বলেন, এতো রাস্তা নয়, খাল। পানির নিষ্কাশনে সিটি কর্পোরেশন যে কতটা উদাসীন তা এর মাধ্যমেই বোঝা যায়। যেটুকু না ভিজে হাটা যেত সেটাও সড়কে গাড়ি যাবার ফলে স্রোত তৈরী করে ভিজিয়ে দিয়ে যাচ্ছে। পুরো বর্ষায় এমন দুর্ভোগই পোহাতে হবে আজীবন।